সকালটা শুরু হয়েছিল এক অদ্ভুত নরম শব্দে—টুপটাপ বৃষ্টির। প্রথমে মনে হয়েছিল কেউ যেন টিনের চালের ওপর ছোট ছোট পাথর ছুড়ে মারছে। তারপর ধীরে ধীরে সেই শব্দটা হয়ে উঠল একটা ছন্দ, একটা ঘুমপাড়ানি গান। ঘুম ভাঙলেও বিছানা ছাড়তে মন চাইছিল না। জানালার কাঁচে বৃষ্টির ফোঁটা গড়িয়ে পড়ছিল, যেন কেউ বাইরে বসে কাঁচের ওপর ছবি আঁকছে। আজ আর কাজে যাওয়া হয়নি। এমন দিনে কাজের চিন্তা করাও কেমন যেন অন্যায় মনে হয়। চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বারান্দায় দাঁড়াতেই ভেজা মাটির গন্ধটা নাকে এল। এই গন্ধটা এমন এক জিনিস, যা বয়স বাড়লেও কখনো পুরোনো হয় না—বরং প্রতিবারই মনে করিয়ে দেয়, আমার ভেতরে একটা ছোট্ট মানুষ এখনো বেঁচে আছে, যে বৃষ্টির শব্দে এখনো আনন্দ খুঁজে পায়। বৃষ্টির দিনের গল্প সম্পর্কে জানতে পুরোটা পুড়ন।
মোবাইলটা হাতে নিয়ে রিলস স্ক্রল করতে শুরু করলাম। একটার পর একটা ভিডিও—কেউ নাচছে, কেউ রান্না করছে, কেউ আবার হাস্যকর কিছু করছে। সময় কেটে যাচ্ছিল, কিন্তু মনটা কোথাও আটকে থাকছিল না। যেন সবকিছু খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে, কিন্তু কিছুই ছুঁয়ে যাচ্ছে না ভেতরটাকে। হঠাৎ একটা ভিডিও চোখে পড়ল—দুই-তিনটা বাচ্চা মিলে মাটির ওপর বসে লুডু খেলছে। পাশে একটা ছোট্ট বাটি ভর্তি বাদাম, আর পেছনে ধীরে ঘুরছে একটা পুরোনো ফ্যান। ভিডিওটা শেষ হতেই বুকের ভেতরটা কেমন যেন কেঁপে উঠল। মনে হলো, আমি যেন হঠাৎ অনেক বছর পেছনে চলে গেছি—সেই ছোটবেলার বৃষ্টিভেজা দিনগুলোতে, যেখানে আনন্দ ছিল খুব সহজ, খুব কাছের।
সেই সময় বৃষ্টির দিন মানেই ছিল এক বিশেষ উৎসব। স্কুল বন্ধ, বাইরে খেলতে যাওয়া বন্ধ—কিন্তু তাতে কোনো আফসোস ছিল না। বরং মনে হতো, আজকের দিনটা শুধু আমাদের জন্যই। আমাদের বাড়ির মাঝখানের বড় ঘরটা হয়ে উঠত আমাদের ছোট্ট রাজ্য। মেঝেতে লাল-সাদা টাইলস, তার ওপর ছড়িয়ে রাখা লুডুর বোর্ড। বোর্ডটা পুরোনো ছিল, কোণাগুলো একটু ছেঁড়া, কিন্তু আমাদের কাছে সেটাই ছিল সবচেয়ে প্রিয় জিনিস। আমি, আমার ভাই, আর পাশের বাসার রাকিব—এই তিনজন মিলে শুরু করতাম খেলা। কে কোন রঙ নেবে, তা নিয়ে শুরু হতো তর্ক, অভিমান, আবার হাসাহাসি। শেষে কোনোভাবে সমাধান হয়ে গেলে শুরু হতো আসল যুদ্ধ—ডাইস ঘোরা, গুটি চালানো, আর প্রতিটা ছয় পাওয়ার আনন্দে চিৎকার।
GearUP K60 Rechargeable Flashlight 10W
উজ্জ্বল আলোয় ভরা ১৫০০ মিটার রেঞ্জের এই লাইটটি অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে থাকবেন। আলোচিত এই লাইটটি রাতে অনেক দূর পর্যন্ত পথ দেখায়। সাথে আছে COB লাইট, যা দিয়ে পড়ালেখা থেকে শুরু করে অনেক কাজ সেরে ফেলা যায়।
খেলার মাঝেই কেউ কাউকে কাটতে পারলে যেন বিশাল একটা জয় পাওয়া হয়ে যেত। “দেখিস, এবার তোকে কাটব”—এই কথাটা ছিল প্রতিদিনের সংলাপ। কেউ কাটা পড়লে মুখ গোমড়া করে বসে থাকত, আবার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই মন খারাপ মিলিয়ে যেত হাসিতে। সেই ছোট ছোট রাগ, অভিমান আর মিলমিশ—সবকিছুই ছিল কতটা স্বাভাবিক, কতটা সত্যিকারের। কোনো কৃত্রিমতা ছিল না, কোনো অভিনয় ছিল না। শুধু ছিল খাঁটি আনন্দ, যা এখনকার দিনে খুব কমই দেখা যায়।
এমন সময় রান্নাঘর থেকে ভেসে আসত এক চেনা গন্ধ—খিচুড়ির। মা বৃষ্টির দিনে নিয়ম করে খিচুড়ি রান্না করতেন। সেই গরম গরম খিচুড়ির সঙ্গে থাকত ডিম ভাজি, কখনো বেগুন ভাজা, আর কাঁচা মরিচের ঝাঁঝ। গন্ধটা পুরো ঘরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ত, আর আমাদের মনোযোগ ধীরে ধীরে লুডু থেকে সরিয়ে নিয়ে যেত রান্নাঘরের দিকে। “মা, আর কতক্ষণ?”—এই প্রশ্নটা বারবার করতাম, আর মা হাসতে হাসতে বলতেন, “আর একটু, হয়ে গেছে প্রায়।” সেই “আর একটু” অপেক্ষাটাই ছিল যেন আনন্দের একটা অংশ, যা খিচুড়ির স্বাদকে আরও বাড়িয়ে দিত।

এরই মাঝে মা এসে সামনে দিয়ে যেতেন গরম গরম ভাজা বাদামের বাটি। আমরা খেলতে খেলতেই বাদাম খেতাম। খোসা ছাড়ানোর সেই ছোট্ট কাজটাও যেন এক ধরনের খেলা ছিল। কেউ দ্রুত খোসা ছাড়াতে পারলে গর্ব করত, আবার কেউ ভুল করে ডাইসের জায়গায় বাদাম তুলে নিলে সবাই হেসে উঠত। বাইরে তখন টুপটাপ বৃষ্টি, ভেতরে আমাদের হাসির শব্দ—এই দুইয়ের মিশ্রণে তৈরি হতো এক অদ্ভুত সুন্দর পরিবেশ, যা এখন শুধু স্মৃতির পাতাতেই বেঁচে আছে।
খেলা শেষে আমরা বসতাম গল্প করতে। কোনো নির্দিষ্ট বিষয় ছিল না—যা মনে আসত, তাই বলতাম। কেউ ভূতের গল্প শুরু করত, কেউ বানিয়ে বানিয়ে অ্যাডভেঞ্চারের গল্প বলত। সেই গল্পগুলোর কোনো লজিক ছিল না, কিন্তু কল্পনার কোনো সীমা ছিল না। রাকিব প্রায়ই বলত তাদের বাড়ির পেছনের গাছের ভূতের কথা—সাদা শাড়ি পরা, রাতে নাকি ঘুরে বেড়ায়। আমরা ভয় পেতাম, কিন্তু তবুও শুনতে ভালো লাগত। সেই ভয়টাও ছিল মজার, যা আমাদের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসত।
বিকেলের দিকে বৃষ্টি একটু থামলে আমরা বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতাম। ভেজা বাতাস মুখে লাগত, আর মনে হতো পৃথিবীটা যেন নতুন করে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চলে যেত, আর পুরো বাড়ি অন্ধকার হয়ে যেত। তখন মোমবাতি জ্বালিয়ে বসে থাকতাম, ছায়ার খেলা দেখতাম, আর মা গল্প বলতেন তার ছোটবেলার দিনগুলোর কথা। আমরা চুপ করে শুনতাম, যেন সেই গল্পের মধ্যেই ঢুকে যাচ্ছি ধীরে ধীরে।
আজকের দিনে ফিরে এসে মনে হয়—সবকিছু আছে, কিন্তু সেই আনন্দটা নেই। এখন বৃষ্টি মানেই মোবাইল, ইন্টারনেট, একা বসে থাকা। আমরা স্ক্রল করি, দেখি, হাসি—কিন্তু সেই হাসির ভেতরে কোনো গভীরতা নেই। হঠাৎ মনে হলো, এত কিছু থাকার পরও যেন কিছু একটা হারিয়ে গেছে। আমি মোবাইলটা পাশে রেখে দিলাম। রান্নাঘরের দিকে গেলাম, আর মনে হলো—আজ যদি একটু খিচুড়ি রান্না করা যায়! হয়তো সেই স্বাদ পুরোপুরি ফিরে আসবে না, কিন্তু সেই অনুভূতিটা অন্তত ছুঁয়ে দেখা যাবে।
LR-2018 USB Rechargeable Folding Fan with LED Light
এই গরমে রিচার্জেবল ফ্যানটি (লাইট সহ) ১৬৬৪ টাকার পরিবর্তে ডিসকাউন্ডে পাচ্ছেন ৭৪৯ টাকায়। এখনি কিনুন রকমারি থেকে
খিচুড়ি রান্না হয়ে গেলে প্লেটে করে নিয়ে বারান্দায় গিয়ে বসলাম। বাইরে বৃষ্টি এখনো পড়ছে, আর আমি ধীরে ধীরে খেতে লাগলাম। প্রতিটা গ্রাসে যেন ফিরে আসছিল পুরোনো দিনের স্মৃতি—লুডু খেলা, বাদাম ভাজা, বন্ধুদের সঙ্গে হাসাহাসি। মনে হলো, জীবন বদলে গেছে ঠিকই, কিন্তু সেই স্মৃতিগুলো এখনো কোথাও রয়ে গেছে, আমাদের ভেতরে, আমাদের অনুভূতির গভীরে। আর হয়তো কোনো একদিন, আবার আমরা সেই পুরোনো দিনের মতো করে বসব—একসঙ্গে, নির্ভেজাল আনন্দে ভরা একটা বৃষ্টির দুপুরে।
খিচুড়ির শেষ লোকমাটা মুখে তুলতে তুলতে হঠাৎ মনে হলো—এই স্বাদটা শুধু খাবারের নয়, এই স্বাদটা সময়ের। একেকটা দানা যেন একেকটা স্মৃতি। কত সহজ ছিল তখন সবকিছু! কোনো পরিকল্পনা ছিল না, কোনো টেনশন ছিল না, ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ভয় ছিল না। ছিল শুধু বর্তমান—যেটা আমরা পুরোটা দিয়েই বাঁচতাম। এখনকার মতো “পরের কাজটা কী?” এই চিন্তা মাথায় ঘুরত না। বরং একটা দিন কীভাবে আরেকটু মজার করা যায়, সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় ভাবনা।
বৃষ্টির শব্দটা যেন তখন আরও গভীর হয়ে উঠল। মনে হচ্ছিল, এই শব্দের ভেতরেই লুকিয়ে আছে অনেক না বলা গল্প। হঠাৎ ইচ্ছে হলো, যদি আজকে আবার একটা লুডুর বোর্ড থাকত! হয়তো একা একা খেললে সেই মজা পাওয়া যাবে না, কিন্তু চেষ্টা করলে কি ক্ষতি? আলমারির একটা ড্রয়ার খুলে খুঁজতে লাগলাম—পুরোনো কোনো বোর্ড আছে কি না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর একটা পুরোনো বাক্সের ভেতর পেলাম কিছু এলোমেলো জিনিস—পুরোনো খাতা, কিছু ছবি, আর একটা ছোট্ট লুডুর বোর্ড। বোর্ডটা একটু মলিন হয়ে গেছে, রং ফিকে হয়ে এসেছে, কিন্তু তবুও চিনতে একটুও কষ্ট হলো না। মনে হলো, এতদিন পর কোনো হারানো বন্ধুর সঙ্গে আবার দেখা হলো।
বোর্ডটা মেঝেতে পেতে বসলাম। গুটিগুলো ঠিকঠাক আছে কি না দেখে নিলাম। একা একা খেলতে শুরু করলাম—নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা। অদ্ভুত লাগছিল, কিন্তু খারাপ লাগছিল না। বরং মনে হচ্ছিল, আমি যেন নিজের ভেতরের সেই ছোট্ট ছেলেটার সঙ্গে আবার সময় কাটাচ্ছি। ডাইসটা ঘুরে ঘুরে পড়ছে, আর আমি মনে মনে সেই পুরোনো সংলাপগুলো বলছি—“এইবার ছয় পড়বেই”, “দেখিস, তোকে কাটব!”—নিজেই বলছি, নিজেই হেসে ফেলছি।
এমন সময় হঠাৎ একটা পুরোনো ছবি হাতে চলে এল। ছবিটায় আমরা কয়েকজন একসঙ্গে বসে আছি—মেঝেতে লুডুর বোর্ড, পাশে বাদামের বাটি, আর সবার মুখে হাসি। ছবিটা দেখে বুকের ভেতরটা কেমন যেন নরম হয়ে গেল। কতদিন কারো সঙ্গে যোগাযোগ নেই! কেউ হয়তো শহরে, কেউ দেশের বাইরে, কেউ আবার নিজের পরিবার নিয়ে ব্যস্ত। সময় আমাদের সবাইকে আলাদা আলাদা পথে নিয়ে গেছে, কিন্তু এই ছবিটা প্রমাণ—একসময় আমরা একসঙ্গেই ছিলাম।
মনে হলো, যদি এখনই কাউকে ফোন দেওয়া যায়! অনেকদিন কথা হয়নি এমন কাউকে। একটু দ্বিধা থাকলেও শেষমেশ সাহস করে একটা নম্বর ডায়াল করলাম—রাকিবের। ফোনটা বেজে উঠল, একবার, দু’বার… তারপর ওপাশ থেকে একটা কণ্ঠ—“হ্যালো?” কণ্ঠটা বদলে গেছে, কিন্তু তবুও চেনা। কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বললাম, “চিনতে পারছিস?” ওপাশে একটু নীরবতা, তারপর হঠাৎ হাসি—“আরে! তুই?” সেই হাসির ভেতরেই যেন ফিরে এল অনেকগুলো বছর।
কথা শুরু হলো, আর থামতেই চাইছিল না। কে কোথায় আছে, কী করছে, জীবনে কী কী বদল এসেছে—সবকিছুই উঠে এল কথার ভেতর। কিন্তু সবচেয়ে বেশি সময় গেল সেই পুরোনো দিনের কথা বলতে—লুডু খেলা, বৃষ্টির দিন, খিচুড়ি, বাদাম ভাজা, ভূতের গল্প। রাকিবও হেসে বলল, “দোস্ত, ওই দিনগুলা আবার পেলে কেমন হইত!” আমি একটু চুপ করে থেকে বললাম, “পাওয়া যায় না, কিন্তু মনে রাখা যায়।”
ফোনটা কেটে যাওয়ার পর মনে হলো, আজকের দিনটা একদম অন্যরকম হয়ে গেল। সকালে যে বৃষ্টি একটু অলসতা এনে দিয়েছিল, এখন সেই বৃষ্টিই যেন একটা দরজা খুলে দিয়েছে—পুরোনো দিনের দিকে, পুরোনো সম্পর্কের দিকে। আমরা হয়তো আগের মতো একসঙ্গে বসতে পারি না, কিন্তু একটা ফোন কল, একটা স্মৃতি—এসবই তো আমাদের আবার কাছাকাছি নিয়ে আসতে পারে।
বাইরে তখন সন্ধ্যা নেমে এসেছে। আকাশটা ধূসর থেকে ধীরে ধীরে গাঢ় হচ্ছে। দূরে কোথাও আজানের শব্দ ভেসে আসছে। বৃষ্টি এখনো পড়ছে, কিন্তু তার তীব্রতা কমে এসেছে। বাতাসে একটা ঠাণ্ডা ভাব। বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে মনে হলো, এই পৃথিবীটা আসলে খুব বেশি বদলায়নি—বৃষ্টি এখনো একইভাবে পড়ে, মাটির গন্ধ এখনো একইরকম, শুধু আমরা বদলে গেছি।
হয়তো আমরা একটু বেশি ব্যস্ত হয়ে গেছি, একটু বেশি হিসেবি হয়ে গেছি। কিন্তু এই বৃষ্টির দিনগুলো মাঝে মাঝে আমাদের থামিয়ে দেয়, মনে করিয়ে দেয়—আমাদের ভেতরে একটা ছোট্ট মানুষ এখনো বেঁচে আছে, যে লুডু খেলতে চায়, গল্প করতে চায়, বাদাম ভাজা খেতে চায়।
যাবতীয় ফাইল, ফরম্যাট, সিভি টেম্পেলেট ইত্যাদি পাবেন ডক ঘরে। ভিজিট করুন: https://docghor.com/
ঘরে ফিরে এসে লুডুর বোর্ডটা আবার গুছিয়ে রাখলাম। মনে হলো, এটা শুধু একটা খেলার জিনিস না—এটা একটা সময়ের স্মৃতি, একটা সম্পর্কের প্রতীক। হয়তো আবার কোনো একদিন, কোনো এক বৃষ্টির দুপুরে, আমরা সত্যিই আবার বসব—পুরোনো বন্ধুদের নিয়ে, একটা বোর্ড ঘিরে, হাসতে হাসতে সময় কাটাব।
আর যদি সেটা না-ও হয়, তবুও এই স্মৃতিগুলো থাকবে। এই বৃষ্টির দিন, এই খিচুড়ির গন্ধ, এই ফোন কল—সবকিছু মিলে একটা গল্প হয়ে থাকবে, যা আমি হয়তো আবার কোনো একদিন মনে করে হাসব।
সেই হাসিটাই হয়তো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর প্রাপ্তি—যেখানে কোনো চাপ নেই, কোনো দুঃখ নেই, আছে শুধু এক টুকরো “সোনালি বিকেল”।
Last Update: 5 months ago
Casio Original Calculator
পরীক্ষার হলে একটি ভালোমানের ক্যালকুলেটর খুব জরুরী। তাই আজই কিনে নিন ক্যাসিও অরজিনাল ক্যালকুলেটর
Leave a Reply